ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিজেপির পতাকা কর্মসূচি ঘিরে ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১১:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১১:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
সিজেপির পতাকা কর্মসূচি ঘিরে ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন ​ছবি: সংগৃহীত
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘জাতীয় পতাকা ওড়াও’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবারের (১৬ অক্টোবর) এ কর্মসূচি ঘিরে মধ্য দিল্লিতে ৩২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী সতর্ক অবস্থানে থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় দিল্লির কনট প্লেসে কর্মসূচিটি পালনের কথা রয়েছে। তবে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাছাই করা কয়েকজনকে উপযুক্ত কোনো স্থানে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

কর্মসূচি ঘিরে কনট প্লেস ও মধ্য দিল্লিতে ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করবে দিল্লি পুলিশ। এর আগে থেকেই রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২৬ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তাদের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ সদস্যদের যুক্ত করা হলে নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

সিজেপি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালন করে আসছে। দলটির নতুন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের সময় নয়াদিল্লি জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই জেলার আওতায় রয়েছে কনট প্লেস, রাজীব চক, সেন্ট্রাল পার্ক, আশপাশের মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তর ও পালিকা বাজার।

গত মঙ্গলবার সিজেপির দুই জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেপ্তার হওয়ার পর দলের আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপক জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলের ঘোষণা দেন। বুধবার তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সৌরভ ও আশুতোষসহ কয়েকজন তালাবদ্ধ ফটক টপকে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করেন এবং সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ান। স্থানটি আগে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত থাকলেও পরে সেখানে কর্মসূচি পালনের অনুমতি বাতিল করা হয়েছিল।

পরে পুলিশ তাদের আটক করে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই তাদের আটক করা হয়েছিল। বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর সৌরভ ও আশুতোষকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

শুক্রবারের কর্মসূচিতে অভিজিৎ দিপকের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে বুধবার তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

কর্মসূচিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, আন্দোলনকর্মী এবং আম আদমি পার্টির (আপ) সদস্যদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহা যাদব জানিয়েছেন, বড় ধরনের মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় জমায়েত এবং মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ